ছোট থেকে দেখছি প্রতি শ্রাবণী মেলায় মানুষের ভিড়। পরম শ্রদ্ধায় তারকনাথের মন্দিরে নতশির হয়। শহরময় কলরব, উৎসব, কোলাহল, ব্যস্ততা। এসবের কেন্দ্র যিনি তিনি নির্বিকার। যুগ যুগ ধরে কোন কলরব তার মৌন শান্তভাব ভঙ্গ করতে পারেনি। রাজবাড়ির ভিতরে শিউলি ও বেলগাছের ছায়ায় লক্ষীনারায়ণ জিউ এর ও আদি শঙ্করাচার্যের মন্দিরে এরমই পরম শান্তি বিরাজ করে। সর্বত্র বিরাজমান ঈশ্বের অস্তিত্বের প্রকাশ এই দুটো মন্দিরে আমি বিশেষ ভাবে অনুভব করেছি। সারাবছর তারকনাথ মন্দিরে সন্ধ্যা আরতির পর যখন হরিনাম সংকীর্তন হয় মনে হয় যেন পরম আনন্দ বিরাজ করে... যেন ঈশ্বরের করুণা ও পরম মমতা কান দিয়ে হৃদয়ে পৌঁছে তা পুলকিত করছে।
মনে পড়ে ছোটবেলার কথা। আমাদের আদিবাড়িটা মন্দিরের খুব কাছে। ভোরবেলায় বাবার মন্দিরের গেট খোলার আগেই ঠাকুমার হাত ধরে মন্দিরের সামনে গিয়ে দাঁড়াতাম। গেট খুলতেই তাড়াতাড়ি বাবার দরজার চৌকাঠে প্রণাম করে পাশে অপেক্ষা করা... দরজা খুলবে বাবা তারকনাথের দর্শন লাভ করা। মন ভালো করা অনুভূতি। তখন ঘাটে যাবার দিকটায় মন্দিরের ছাদের কড়িকাঠে প্রচুর ঘোলা পায়রা থাকত। বিকেলের দিকটায় কোন কোনদিন ঠাকুমা আমাকে নিয়ে রাজবাড়ির ভিতরে মন্দিরের চাতালটায় নিয়ে গিয়ে বসে থাকত। রাজবাড়ির খিলানের ধারে ধারে কত টিয়াপাখি আর পায়রার ভিড় লেগে থাকত। বসে বসে দেখতাম। ঠাকুমা ঠাকুর-দেবতা, রাজবাড়ি, মন্দির নিয়ে গল্প বলত, সেসব শুনে কল্পনায় বিভোর ছোটবেলা কেটেছে। ঈশ্বরে বিশ্বাসের সংস্কার তাঁর থেকেই পাওয়া।
বড় হয়ে আজ যখন তারকেশ্বরের বাইরে থাকি, জন্মস্থানের প্রতি টনটনে টান আরো বেশি করে অনুভব করি। শ্রাবণীমেলার ভিড়, মন্দিরের ঐ বিশেষ অনুভূতিটা পেতে যেন ছটফট করি। তারকেশ্বরের প্রতিটা রাস্তা, বাড়ি, মানুষজন যেন পরম আত্মীয়ের মত মনে হয়। আমার জন্মস্থান চিরদিন সেরা। সেরা ছিল, আছে ও থাকবে।
মনে পড়ে ছোটবেলার কথা। আমাদের আদিবাড়িটা মন্দিরের খুব কাছে। ভোরবেলায় বাবার মন্দিরের গেট খোলার আগেই ঠাকুমার হাত ধরে মন্দিরের সামনে গিয়ে দাঁড়াতাম। গেট খুলতেই তাড়াতাড়ি বাবার দরজার চৌকাঠে প্রণাম করে পাশে অপেক্ষা করা... দরজা খুলবে বাবা তারকনাথের দর্শন লাভ করা। মন ভালো করা অনুভূতি। তখন ঘাটে যাবার দিকটায় মন্দিরের ছাদের কড়িকাঠে প্রচুর ঘোলা পায়রা থাকত। বিকেলের দিকটায় কোন কোনদিন ঠাকুমা আমাকে নিয়ে রাজবাড়ির ভিতরে মন্দিরের চাতালটায় নিয়ে গিয়ে বসে থাকত। রাজবাড়ির খিলানের ধারে ধারে কত টিয়াপাখি আর পায়রার ভিড় লেগে থাকত। বসে বসে দেখতাম। ঠাকুমা ঠাকুর-দেবতা, রাজবাড়ি, মন্দির নিয়ে গল্প বলত, সেসব শুনে কল্পনায় বিভোর ছোটবেলা কেটেছে। ঈশ্বরে বিশ্বাসের সংস্কার তাঁর থেকেই পাওয়া।
বড় হয়ে আজ যখন তারকেশ্বরের বাইরে থাকি, জন্মস্থানের প্রতি টনটনে টান আরো বেশি করে অনুভব করি। শ্রাবণীমেলার ভিড়, মন্দিরের ঐ বিশেষ অনুভূতিটা পেতে যেন ছটফট করি। তারকেশ্বরের প্রতিটা রাস্তা, বাড়ি, মানুষজন যেন পরম আত্মীয়ের মত মনে হয়। আমার জন্মস্থান চিরদিন সেরা। সেরা ছিল, আছে ও থাকবে।



No comments:
Post a Comment